নিজস্ব প্রতিবেদক
কারো নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক পথে বাংলাদেশের যাত্রাকে কিছু মহল পছন্দ করে না। সেসব মহল আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
শুক্রবার মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ হয়।
তারেক বলেন, হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারো যাত্রা শুরু করেছে। আমরা দেখেছি, যখনই দেশ গণতন্ত্রের পক্ষে যাত্রা করেছে, তখনই মিল-কলকারখানা গড়ে উঠেছে, অর্থনীতি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়েছে, শিক্ষার পরিবেশ ফিরে এসেছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিশ্ব দরবারে এমার্জিং টাইগারের খেতাবে ভূষিত হয়েছিল দেশ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখনই গণতন্ত্রের পথে যাত্রা- কিছু মহলের সেটি পছন্দ নয়। সেই সকল মহল চায় না বাংলাদেশের মানুষ তার ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য পরিশ্রম শুরু করুক। তারা চায় না বাংলাদেশ পৃথিবীর সাথে পাল্লা দিয়ে সামনে এগিয়ে যাক। সেই মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে অতীতের মতন। অতীতে যেমন তারা ষড়যন্ত্র করেছিল। তাদের সেই ষড়যন্ত্র ১২ (নির্বাচন) তারিখের আগে সফল হয়নি। ১২ তারিখকে তারা দেখলো বাংলাদেশ জনগণের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চলা শুরু করল, বাংলাদেশ তো আবার গণতন্ত্রের পক্ষের পথে চলা শুরু করলো- তখন নতুন করে তারা ধীরে ধীরে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র শুরু করল। তারা চেষ্টা করছে এখন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারা চেষ্টা করছে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ যাতে বন্ধুহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু বিশ্বদরবার দেখছে বর্তমান সরকারের পেছনে বাংলাদেশের জনগণের সমর্থন রয়েছে। বিশ্বদরবার দেখছে বর্তমানে বাংলাদেশের সরকার জনগণ দ্বারা গঠিত সরকার।
বিশ্বদরবার এদেশে বিনিয়োগ করার জন্য জনগণের নির্বাচিত সরকার সাথে কথা বলছে বলে জানান তারেক রহমান। আমাদেরকে বিশ্ব দরবারের এই সুযোগ গ্রহণ করতে হবে। দেশের স্বার্থে এই দেশের মানুষের স্বার্থে সর্বোপরি এই দেশের শ্রমিক ভাইদের স্বার্থে। সেজন্যই আজকে আমাদেরকে চোখ-কান সব খোলা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, যারা দেশকে বিতর্কিত পর্যায়ে নিতে চায়, যারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের জবাব দিতে হবে। যেভাবে আমরা স্বৈরাচারকে ১৭ বছর ধরে জবাব দিয়েছিলাম।